স্পেন ও পর্তুগাল হঠাৎ প্রবল বৃষ্টিপাত ও নিম্নচাপের তৃতীয় ঢেউ ‘স্টর্ম মার্টা’–র কারণে ভাসছে। সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যাহত, নদীর পানি অবাধ্যভাবে বেড়ে গেছে এবং হাজার হাজার মানুষকে তাদের বাড়ি থেকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। বিশেষ উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা, যারা স্থানীয় জলবায়ু পরিস্থিতি ও চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।
পর্তুগালে ২৬,৫০০–এর বেশি উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। আবহাওয়ার কারণে তিনটি পৌরসভায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। দেশের দক্ষিণ ও কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদীমুখ ও তটরেখা অরেঞ্জ সতর্কতায় রয়েছে। লিসবনের কাছে টাগাস নদী এবং দক্ষিণের সাদো নদী বিশেষভাবে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।
স্পেনে আন্দালুসিয়ার দক্ষিণ ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অরেঞ্জ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পূর্ববর্তী বন্যা ও ভূমিধসের কারণে প্রায় ১০,০০০ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভ্রমণ ও দৈনন্দিন কার্যক্রমে সতর্ক থাকতে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণ করছেন।
পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৪ বিলিয়ন ইউরোর বেশি ঘোষণা করেছেন। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এমন চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ও তীব্র হয়ে উঠছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং স্থানীয় জরুরি হটলাইন ও প্রশাসনিক নির্দেশনা মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
