অতীতে বিএনপির শাসনামলে অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকলে সে জন্য দেশবাসীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে অর্জনগুলোকে ভিত্তি করে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সোমবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তারেক রহমান বলেন, জনগণের সমর্থনে বিএনপি একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়ে থাকলে, তার জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের কল্যাণে বিএনপির যে পরিকল্পনাগুলো রয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে জনগণের সমর্থন ও ভোট প্রয়োজন। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের কাছে রাষ্ট্র ও সরকারকে জবাবদিহিমূলক রাখার কোনো বিকল্প নেই।
তারেক রহমান আরও বলেন, জনগণের সমর্থনে সরকার গঠিত হলে সেটি হবে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার। দুর্নীতি দমনে বিএনপি সরকার সর্বোচ্চ কঠোরতা প্রদর্শন করবে এবং দেশে পুনরায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে—এটি বিএনপির অঙ্গীকার।
ভাষণে তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস জনগণ। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন।
তিনি বিশেষভাবে তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষের জন্য হোক। গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি প্রার্থীদের দায়িত্ব নিন, আর ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের দায়িত্ব নেবে। নির্বাচিত এমপিরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে কি না, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন বলেও জানান।
বক্তব্যের শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপির মূলনীতি হবে মহানবীর আদর্শ অনুযায়ী ন্যায়পরায়ণতা। তিনি ধানের শীষের বিজয় কামনা করে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি হবে জনগণের বাংলাদেশে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন।
