রিয়াদ-খুশদিলের ঝড়ে সিলেটকে উড়িয়ে দিল রংপুর

Mahmudullah bpl rangpur riders vs sylhet titans

বিপিএলের সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোর স্কোরকার্ড বিবেচনায় সিলেট টাইটান্সের করা ১৪৪ রানের পুঁজি একেবারে মামুলি ছিল না। বোলিংয়েও তারা কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল। তবে চাপের মুখে থাকা রংপুর রাইডার্স শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা আর ফিনিশিংয়ের জোরে বড় জয় তুলে নেয়। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও খুশদিল শাহর শেষদিকের ঝড়ে ৭ বল হাতে রেখে এবং ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে সিলেটকে হারায় রংপুর।

এর আগের ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে প্রায় জিততে জিততেও হারের পর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। শেষ বলে রানআউট হয়ে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। পরদিনই ব্যাট হাতে সেই সমালোচনার জবাব দিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক এই তারকা। সিলেটের দেওয়া লক্ষ্য তাড়ায় ১৬ বলে ৩৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রংপুরের শুরুটা ছিল ধীরগতির। ৪.১ ওভারে ২১ রান তুলতেই তারা ওপেনার ডেভিড মালানকে (১৯) হারায়। এরপর তাওহীদ হৃদয় ১১ বলে মাত্র ৬ রান করে নাসুম আহমেদের বলে বোল্ড হন। ক্যারিবীয় ব্যাটার কাইল মায়ার্সও রান তুলতে হিমশিম খান; আউট হওয়ার আগে ২৯ বলে ৩১ রান করেন তিনি।

এরপর দলকে টেনে তোলেন লিটন দাস। জাতীয় দলের এই অধিনায়ক ২৫ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় করেন ৩৫ রান। মায়ার্স আউট হওয়ার সময় রংপুরের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩১ বলে ৫১ রান।

সেখান থেকেই ম্যাচ নিজেদের করে নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও খুশদিল শাহ। দুজনের ব্যাটে গড়ে ওঠে ৫১ রানের অপরাজিত জুটি। রিয়াদ ১৬ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় করেন ৩৪ রান, আর খুশদিল ১১ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন।

সিলেটের পক্ষে বোলিংয়ে একটি করে উইকেট শিকার করেন খালেদ আহমেদ, সাইম আইয়ুব, নাসুম আহমেদ ও ইথান ব্রুকস।

এর আগে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি স্বাগতিক সিলেট টাইটান্স। ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান তোলে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। আফিফ হোসেন ধ্রুব ৩১ বলে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন, আর ইথান ব্রুকসের ব্যাট থেকে আসে ৩২ রান। তবে অন্য কেউ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি।

রংপুরের বোলিংয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান ও ফাহিম আশরাফ—দুজনেই শিকার করেন তিনটি করে উইকেট।