ভারতে গিয়ে খেলতে না চাওয়ার কারণে আগেই আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ দলকে। বাংলাদেশের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্কটল্যান্ডকে। এবার সেই সিদ্ধান্তের রেশ গিয়ে পড়েছে দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের ওপর।
নতুন করে জানা গেছে, আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য বাংলাদেশ থেকে যে সব সাংবাদিক আইসিসিতে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের আবেদন করেছিলেন, তাদের সব আবেদনই বাতিল করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ফলে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করতে বাংলাদেশ থেকে একজন সাংবাদিকও মাঠে উপস্থিত থাকতে পারছেন না।
পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ ছিল কলকাতায় এবং একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ে। বাংলাদেশ খেলুক বা না খেলুক—বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য আইসিসির নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা আবেদন করেছিলেন। অনেকেই ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে নামার পর থেকে প্রতিটি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। এমনকি ১৯৯৯ বিশ্বকাপের আগেও, যখন বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ছিল না, তখনও একাধিক আসর কাভার করার অভিজ্ঞতা ছিল বাংলাদেশের সাংবাদিকদের।
ক্রিকেটপ্রেমী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের বিশ্বকাপ নিয়ে আগ্রহ বরাবরই তুঙ্গে। সে কারণেই প্রায় প্রতিটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বিশ্বকাপ কাভার করতে সাংবাদিক পাঠিয়ে থাকে।
আইসিসির এই সিদ্ধান্তে দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। তারা একে বাংলাদেশের ক্রিকেট ও সাংবাদিকতার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন ক্রীড়া সাংবাদিকরা।
