আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei–কে ঘিরে পরস্পরবিরোধী দাবির ঘটনায়। ইসরাইলের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দাবি করেছেন, হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন এবং তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ দাবি সরাসরি নাকচ করেছে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, খামেনি মারা গেছেন। তিনি তাকে ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি উল্লেখ করে বলেন, এটি ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের একটি বড় সুযোগ। এর আগে তিনি এবিসি নিউজকেও একই মন্তব্য করেছিলেন এবং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান ইতোমধ্যে ‘সফল হয়েছে’।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম Tasnim News Agency এবং Mehr News Agency জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা ‘অবিচল রয়েছেন এবং রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন’। তারা ইসরাইলের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উল্লেখ করেছে।
১৯৮৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা Ayatollah Ruhollah Khomeini–এর মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তিনি ইরানের রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব রাখেন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র নীতিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরানের সংবিধানে সর্বোচ্চ নেতার পদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৮৮ সদস্যের আলেমদের নিয়ে গঠিত ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ এই পদে নেতা নির্বাচন করে থাকে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এর জবাবে তেহরান ইসরাইল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে।
