ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন বলে সরকারি ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন ও সংবাদমাধ্যমর খবর অনুযায়ী, খামেনি হামলায় শাহাদাত বরণ করেছেন এবং তার মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
তেহরানের নিজ কার্যালয়ের কাছে শনিবার সকালে যৌথ সামরিক হামলার সময় খামেনি হানাদারদের নিশানায় পড়েছেন । হামলা চালানোর পেছনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুক্ত থাকার তথ্য প্রকাশ ঘটেছে এবং তা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় উল্লেখ করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের তথ্যে বলা হয়েছে, খামেনি কর্মক্ষেত্রে উপস্থিত ছিলেন এবং নির্ধারিত দায়িত্ব পালনকালে হামলার সময় নিহত হয়েছেন। হামলায় তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অন্তত কয়েকজনেরও প্রাণহানির সংবাদ রয়েছে।
ইরানের সরকার ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও সাত দিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করেছে। বহু মানুষেরা শোক প্রকাশ ও রাস্তায় ভিড় জমিয়েছে।
এই হামলা ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় শূন্যতা তৈরি করেছে এবং দেশজুড়ে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক স্তরেও মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে কিছু সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটি ঘিরে বিতর্ক ও গুঞ্জনও দেখা দিয়েছে; বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য এবং আনুষ্ঠানিক তথ্যের মধ্যে কিছু ভিন্ন প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পাচ্ছে, যা সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হচ্ছে।
