পবিত্র মাহে রমজান মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এই মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা পালন করেন এবং বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকেন।
রমজানের শেষ দশকের দিনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় মুসলমানরা বেশি বেশি নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির ও দোয়া করেন এবং লাইলাতুল কদর লাভের আশায় ইবাদতে মনোনিবেশ করেন।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সুবিধার্থে নিচে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
📅 ২৪ রমজান ২০২৬ (বাংলাদেশ সময়)
| বিভাগ | সেহরির শেষ সময় | ইফতারের সময় |
|---|---|---|
| ঢাকা বিভাগ | ভোর ৪:৫২ | সন্ধ্যা ৬:১০ |
| চট্টগ্রাম বিভাগ | ভোর ৪:৪৭ | সন্ধ্যা ৬:০৫ |
| সিলেট বিভাগ | ভোর ৪:৪৪ | সন্ধ্যা ৬:০৪ |
| খুলনা বিভাগ | ভোর ৪:৫৬ | সন্ধ্যা ৬:১৪ |
| রাজশাহী বিভাগ | ভোর ৪:৫৭ | সন্ধ্যা ৬:১৬ |
| রংপুর বিভাগ | ভোর ৪:৫৬ | সন্ধ্যা ৬:১৫ |
| বরিশাল বিভাগ | ভোর ৪:৫৩ | সন্ধ্যা ৬:১০ |
| ময়মনসিংহ বিভাগ | ভোর ৪:৫১ | সন্ধ্যা ৬:১১ |
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সাধারণত ঢাকা জেলার সময়কে ভিত্তি ধরে রমজানের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। অন্যান্য জেলায় ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কয়েক মিনিটের পার্থক্য থাকতে পারে।
তাই সেহরি ও ইফতারের সময় নির্ধারণে নিজ নিজ এলাকার মসজিদের ঘোষণাও অনুসরণ করা উত্তম।
২৪ রমজানের সম্পর্কিত কিছু সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
রমযান মাসে দিনের বেলায় স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে স্বামী-স্ত্রীর মিলন হলে এর হুকুম কি?
এতে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। এর ফলে কাযাও করতে হবে এবং কাফফারাও দিতে হবে।
(ক) একদিনের রোযার জন্য একাধারে দু’মাস রোযা রাখতে হবে। মাঝখানে একদিন বাদ গেলে এর পরের দিন থেকে আবার একাধারে পূর্ণ দু’ মাস রোযা রাখতে হবে। অথবা
(খ) ষাটজন মিসকিনকে এক বেলা আহার করাতে হবে।
কোন প্রকার ইনজেকশানে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাবে?
(ক) রক্তশূন্যতা পূরণ জনিত ইনজেকশান
(খ) শক্তি বর্ধক ইনজেকশান
(গ) স্যালাইন ও পানাহারের স্থলাভিষিক্ত ইনজেকশান। এর কোন একটা পুশ করলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাবে। তবে শুধুমাত্র ঔষধজনিত হলে সিয়াম ভঙ্গ হবে না।
ঋতুবতী মহিলারা কি কাযা করবে?
শুধুমাত্র সিয়াম কাযা করবে। সালাত কাযা করতে হবে না। আয়িশাহ বলেন :
كَانَ يُصِيبُنَا ذَلِكَ فَنُؤْمَرُ بِقَضَاءِ الصَّوْمِ وَلاَ نُؤْمَرُ بِقَضَاءِ الصَّلاَةِ
আমাদেরও এটা ঘটত (অর্থাৎ মাসিক হতো)। তখন আমরা শুধু সিয়াম কাযা করতে আদিষ্ট হতাম। কিন্তু সালাত কাযা করতে আদিষ্ট হতাম না। (মুসলিম: ৩৩৫)
