দিল্লির যন্তর মন্তরের দীর্ঘ অনশন থেকে ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলন, আবার কয়েক দিনের ব্যবধানে দিল্লিতে আটক হয়ে সরাসরি কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্চ—সাম্প্রতিক মাসগুলিতে বারবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে নেহা বোরার নাম। ২৯ বছর বয়সি নেহা বর্তমানে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বা AISA-র জাতীয় সভাপতি এবং জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক।
বিশেষ করে ২০২৬ সালে শিক্ষা ও নিয়োগ পরীক্ষায় কথিত অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলন, যন্তর মন্তরে টানা ২৩ দিনের অনশন, ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের সময় কালি ছোড়ার ঘটনা এবং সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে দিল্লির বিক্ষোভে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি নেহা বোরাকে জাতীয় স্তরে পরিচিত মুখ করে তুলেছে। ৫ অক্টোবর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্র কনভেনশনে তাঁর উপস্থিতি নতুন করে তাঁকে আলোচনার কেন্দ্রে এনেছে।
নেহা বোরা কে?
Neha Bora বা নেহা বোরা কে? সংক্ষেপে বললে, তিনি একজন ছাত্রনেত্রী, গবেষক এবং থিয়েটার ও পারফরম্যান্স নিয়ে কাজ করা শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি AISA-র জাতীয় সভাপতি।
প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে নেহার বয়স ২৯ বছর বলা হয়েছে। তাঁর আদি বাড়ি উত্তরাখণ্ডের উধম সিং নগর জেলার খাটিমায়। বাবা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকায় ছোটবেলায় পরিবারকে বিভিন্ন শহরে থাকতে হয়েছে।
নেহার শিক্ষাজীবনের একটি অংশ পশ্চিমবঙ্গেও কেটেছে। প্রকাশিত প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি শিলিগুড়ির Delhi Public School-এ পড়াশোনা করেছেন। পরে দিল্লিতে গিয়ে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু কলেজ থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক হন। এরপর Dr. B.R. Ambedkar University Delhi থেকে Performance Studies-এ স্নাতকোত্তর করেন। বর্তমানে JNU-র School of Arts and Aesthetics-এ Theatre and Performance Studies নিয়ে PhD করছেন।
পারিবারিক রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে তাঁর নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের পার্থক্য নিয়েও নেহা প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। তাঁর বাবা সেনাবাহিনীতে ছিলেন এবং পরিবারের রাজনৈতিক মতের সঙ্গে নিজের মতের বড় ফারাক রয়েছে বলে তিনি বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন।
ছাত্র রাজনীতিতে কীভাবে এলেন নেহা বোরা?
নেহার ক্ষেত্রে ছাত্র রাজনীতির শুরু সরাসরি কোনও রাজনৈতিক পদ দিয়ে হয়নি। তাঁর নিজের বক্তব্য অনুযায়ী, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থিয়েটারের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করতে করতে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রশ্নে আগ্রহ তৈরি হয়।
কলেজজীবনে নাটক ও পথনাটকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। বিভিন্ন সামাজিক বৈষম্য ও সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে পরবর্তী সময়ে ছাত্র আন্দোলনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি কারণ হিসেবেও বর্ণনা করেছেন নেহা।
JNU-তে এসে তিনি বামপন্থী ছাত্র সংগঠন All India Students’ Association বা AISA-র সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। শিক্ষা ব্যবস্থার বেসরকারিকরণ, ফি বৃদ্ধি, স্কলারশিপ, হস্টেল এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে আন্দোলনে তাঁর অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে। পরে তিনি সংগঠনের জাতীয় সভাপতির দায়িত্ব পান।
কীভাবে লাইমলাইটে এলেন নেহা বোরা?
ছাত্র রাজনীতিতে আগে থেকেই সক্রিয় থাকলেও ২০২৬ সালের যন্তর মন্তর আন্দোলনের পর নেহা বোরার পরিচিতি বহুগুণ বেড়ে যায়।
পরীক্ষা পরিচালনা, কথিত প্রশ্নপত্র ফাঁস, নিয়োগ ও শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং শিক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সংস্কারের দাবিকে সামনে রেখে দিল্লিতে যে ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে, সেখানে অন্যতম দৃশ্যমান মুখ ছিলেন নেহা।
এই আন্দোলনের সময় তিনি AISA-র আরও দুই ছাত্রনেতার সঙ্গে টানা ২৩ দিন অনশন করেন। শিক্ষা সংস্কারক সোনম ওয়াংচুকও সেই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০ জুলাই একটি প্রতিনিধি দলের অনুরোধের পর নেহা ও অন্য দুই ছাত্রনেতা তাঁদের অনশন প্রত্যাহার করেন বলে India Today-এর একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়।
এর পর থেকেই বিভিন্ন শহরে ছাত্র ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনে তাঁর উপস্থিতি বাড়তে থাকে। সামাজিক মাধ্যমেও তাঁর বক্তৃতার বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে পড়ে। ফলে JNU বা AISA-র পরিসরের বাইরে তাঁর পরিচিতি তৈরি হয়।
যন্তর মন্তরের আন্দোলনে নেহা বোরা
২০২৬ সালের মাঝামাঝি দিল্লির যন্তর মন্তরে হওয়া ছাত্র আন্দোলনই নেহা বোরার রাজনৈতিক পরিচিতির ক্ষেত্রে অন্যতম বড় মোড়।
আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও শিক্ষা ব্যবস্থায় কথিত অনিয়ম, পরীক্ষার কেন্দ্রীয়করণ এবং জবাবদিহির অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। নেহা নিজেও National Education Policy এবং পরীক্ষা পরিচালনার কেন্দ্রীয়করণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করার কথা জানিয়েছেন।
অনশনের সময় নেহা, Manish Kumar এবং Aameen Amitoj-সহ তিন AISA নেতা টানা ২৩ দিন অনশন করেন। পরে সাংসদ, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী ও অভিনেতাদের নিয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদলের আবেদনে তাঁরা অনশন শেষ করেন।
২০ জুলাইয়ের একটি বিক্ষোভকে ঘিরে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়েও পরবর্তী সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়। AISA ও আন্দোলনকারীরা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তোলে। নেহা সেই ঘটনার জন্য উচ্চপর্যায়ের জবাবদিহি দাবি করেন। তবে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের বর্ণনায় ঘটনার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতভেদ ছিল।
ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলনেও কেন উঠে আসে তাঁর নাম?
৭ আগস্ট ২০২৬-এ ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে ছাত্র ও চাকরিপ্রার্থীদের একটি আন্দোলনে যোগ দেন নেহা বোরা।
আন্দোলনকারীরা JPSC এবং JSSC-র নিয়োগ পরীক্ষায় কথিত অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিল, নতুন করে পরীক্ষা এবং নিয়োগ ব্যবস্থায় আরও স্বচ্ছতার দাবি করছিলেন। নেহা দিল্লি থেকে রাঁচিতে গিয়ে বিধানসভা অভিমুখে একটি মিছিলে যোগ দেন।
সেই মিছিল চলাকালীন এক ব্যক্তি নেহার গায়ে কালো কালি ছুড়ে দেন। পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে এবং পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে রাঁচির একটি আদালত অভিযুক্তকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেয়।
এই ঘটনাও জাতীয় সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয় এবং নেহার পরিচিতি আরও বাড়ায়।
ফের দিল্লিতে বিক্ষোভ, আটক নেহা বোরা
সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবরের শুরুতে নেহা আবার দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনের কেন্দ্রে চলে আসেন।
এ বার আন্দোলনের বিষয় ছিল ভোটার তালিকার Special Intensive Revision বা SIR এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা। আন্দোলনকারীরা Chief Election Commissioner জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তোলেন। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তাঁদের বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও কমিশন সেই অভিযোগের সঙ্গে একমত নয় এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়াকে প্রয়োজনীয় বলে দাবি করেছে।
২ অক্টোবর দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তর ও আশপাশ থেকে ৫০০-র বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করে। তাঁদের মধ্যে নেহা বোরা, দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতিশী, যোগেন্দ্র যাদব-সহ আরও অনেকে ছিলেন। পুলিশের বক্তব্য ছিল, ওই বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
৩ অক্টোবরও নেহা বোরা এবং অন্য আন্দোলনকারীদের আটক করা হয়।
৪ অক্টোবর আন্দোলনের তৃতীয় দিনেও নেহাকে আটক করা হয়। Indian Express-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সেদিন নেহা-সহ প্রায় ১২০ জনকে কয়েক ঘণ্টার জন্য আটক করা হয়েছিল।
AISA অভিযোগ করেছিল, ওই দিন নেহাকে একটি ব্যক্তিগত বা চিহ্নহীন গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। দিল্লি পুলিশের এক শীর্ষকর্তা অবশ্য সংগঠনের অভিযোগের কিছু অংশ অস্বীকার করেন। ফলে ওই বিষয়ে সংগঠনের দাবি ও পুলিশের বক্তব্যকে পৃথকভাবেই দেখা প্রয়োজন।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কী বললেন নেহা বোরা?
দিল্লির আন্দোলনের কয়েক দিনের মধ্যেই কলকাতায় দেখা যায় নেহা বোরাকে।
৫ অক্টোবর ২০২৬ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির উদ্যোগে আয়োজিত “Gen Z Movement: Unity of Generation and Resistance” শীর্ষক একটি কনভেনশনে তিনি বক্তৃতা করেন। AISA সভাপতি নেহা ছাড়াও SFI-সহ অন্য ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা সেখানে ছিলেন।
কনভেনশনে National Education Policy 2020, National Testing Agency, ভোটার তালিকার SIR এবং প্রস্তাবিত Indian Statistical Institute Bill-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বক্তৃতায় নেহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও Satyajit Ray Film and Television Institute-এ সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন। RSS, ABVP এবং BJP-কে লক্ষ্য করে একাধিক রাজনৈতিক অভিযোগও করেন তিনি। এগুলি নেহার নিজস্ব রাজনৈতিক বক্তব্য ও অভিযোগ; সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির অবস্থান আলাদা।
অনুষ্ঠানটিকে ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়। যাদবপুরের ABVP ইউনিট প্রশ্ন তোলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে আসা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে ক্যাম্পাসে বক্তৃতার অনুমতি দেওয়া হল কী ভাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার Debjit Dutta-ও জানান, তাঁর অফিসে অনুষ্ঠানটির অনুমতির জন্য কোনও ফাইল বা যোগাযোগ আসেনি। অন্যদিকে আয়োজক ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়, নেহা একজন ছাত্রনেত্রী ও গবেষক।
এই বিতর্কের কারণেই তাঁর যাদবপুর সফর দ্রুত সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে।
বাংলার সঙ্গে নেহা বোরার কী যোগ?
নেহা বোরার আদি বাড়ি পশ্চিমবঙ্গে নয়। তিনি মূলত উত্তরাখণ্ডের খাটিমার বাসিন্দা। তবে তাঁর শৈশব ও শিক্ষাজীবনের সঙ্গে বাংলার একটি সরাসরি যোগ রয়েছে।
তাঁর বাবা সেনাবাহিনীতে থাকায় পরিবারকে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে হত। একাধিক প্রকাশিত প্রোফাইল অনুযায়ী, নেহা শিলিগুড়ির Delhi Public School-এ পড়াশোনা করেছেন। অর্থাৎ উত্তরবঙ্গে তাঁর শৈশবের একটি অংশ কেটেছে।
তাই তাঁকে “বাংলার বাসিন্দা” বলা সঠিক হবে না। বরং বলা যায়, উত্তরাখণ্ডে শিকড় থাকলেও শিলিগুড়ির সঙ্গে তাঁর শিক্ষাজীবনের একটি যোগ রয়েছে।
কেন এত আলোচনা নেহা বোরাকে নিয়ে?
নেহা বোরার বর্তমান পরিচিতি কোনও একটি ঘটনা থেকে তৈরি হয়নি। কয়েক মাস ধরে একের পর এক আন্দোলনে সক্রিয় উপস্থিতি তাঁকে জাতীয় স্তরে দৃশ্যমান করেছে।
প্রথমত, যন্তর মন্তরে ২৩ দিনের অনশন তাঁকে ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ বানায়। এরপর বিভিন্ন সভা ও আন্দোলনে তাঁর বক্তৃতা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
দ্বিতীয়ত, ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে আন্দোলনের সময় তাঁর উপর কালি ছোড়ার ঘটনা আবার তাঁকে জাতীয় সংবাদে নিয়ে আসে।
তৃতীয়ত, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে নির্বাচন কমিশন ও SIR নিয়ে যন্তর মন্তরের আন্দোলনে বারবার আটক হওয়ার ছবি ও ভিডিও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।
এর ঠিক পরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর উপস্থিতি এবং অনুষ্ঠানকে ঘিরে অনুমতি-বিতর্ক ফের আলোচনার জন্ম দেয়।
ফলে Who is Neha Bora বা নেহা বোরা কে—এই প্রশ্নের উত্তর শুধু তাঁর বর্তমান পদে সীমাবদ্ধ নয়। JNU-র Theatre and Performance Studies-এর গবেষক থেকে AISA-র জাতীয় সভাপতি, আর সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন ছাত্র ও যুব আন্দোলনের দৃশ্যমান মুখ হয়ে ওঠাই তাঁর সাম্প্রতিক পরিচিতির মূল কারণ।
FAQs
নেহা বোরা একজন ছাত্রনেত্রী ও JNU গবেষক। তিনি বর্তমানে All India Students’ Association বা AISA-র জাতীয় সভাপতি এবং JNU-তে Theatre and Performance Studies নিয়ে PhD করছেন।
তিনি বামপন্থী ছাত্র সংগঠন All India Students’ Association বা AISA-র জাতীয় সভাপতি।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তিনি শিলিগুড়িতে স্কুলজীবনের একটি অংশ কাটান, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের Hindu College থেকে Sociology-তে স্নাতক এবং Dr. B.R. Ambedkar University Delhi থেকে স্নাতকোত্তর করেন। বর্তমানে JNU-তে PhD করছেন।
২০২৬ সালে দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ২৩ দিনের অনশন, শিক্ষা ও পরীক্ষা সংস্কারের আন্দোলন, ঝাড়খণ্ডে ছাত্র আন্দোলনের সময় কালি ছোড়ার ঘটনা এবং পরবর্তী দিল্লির বিক্ষোভে বারবার আটক হওয়ায় তিনি জাতীয় স্তরে বেশি পরিচিত হন।
৫ অক্টোবর তিনি “Gen Z Movement: Unity of Generation and Resistance” শীর্ষক একটি ছাত্র কনভেনশনে বক্তা হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানটি বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি আয়োজন করেছিল
