বাংলাদেশ–আফগানিস্তান: ওয়ানডেতে মুখোমুখি লড়াইয়ে কে এগিয়ে

bangladesh vs afghanistan odi head to head

ওয়ানডেতে বাংলাদেশ–আফগানিস্তান মুখোমুখি লড়াইয়ে এখন সমতা। ২২ ম্যাচে দুই দলের জয়ই ১১টি করে। তবে সাম্প্রতিক লড়াইয়ের হিসাব আফগানিস্তানের পক্ষে—সর্বশেষ ছয় দেখায় পাঁচবার জিতেছে তারা।

আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে আবার মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় শারজাহতে শুরু হবে ম্যাচটি। বিস্তারিত জানতে পড়ুন বাংলাদেশ–আফগানিস্তান ম্যাচের পূর্বাভাস ও ফাইনালের সমীকরণ।

ওয়ানডেতে মুখোমুখি পরিসংখ্যান

২১ অক্টোবর ২০২৬-এর ম্যাচ শুরুর আগে পর্যন্ত দুই দলের ওয়ানডে লড়াইয়ের হিসাব:

পরিসংখ্যানসংখ্যা
মোট ম্যাচ২২
বাংলাদেশের জয়১১
আফগানিস্তানের জয়১১
টাই০
ফলহীন০

সর্বশেষ ছয় ম্যাচে আফগানিস্তানের পাঁচ জয়ই এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাঠে। ২০২৪ সালে শারজাহতে তিন ম্যাচের সিরিজে ২–১ ব্যবধানে জেতার পর ২০২৫ সালে আবুধাবিতেও সিরিজ জেতে আফগানরা।

সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের ফল

তারিখভেন্যুবাংলাদেশআফগানিস্তানফল
১৪ অক্টোবর ২০২৫আবুধাবি৯৩২৯৩/৯আফগানিস্তান ২০০ রানে জয়ী
১১ অক্টোবর ২০২৫আবুধাবি১০৯১৯০আফগানিস্তান ৮১ রানে জয়ী
৮ অক্টোবর ২০২৫আবুধাবি২২১২২৬/৫আফগানিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী
১১ নভেম্বর ২০২৪শারজাহ২৪৪/৮২৪৬/৫আফগানিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী
৯ নভেম্বর ২০২৪শারজাহ২৫২/৭১৮৪বাংলাদেশ ৬৮ রানে জয়ী

সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের স্কোর ও ফলাফল।

এই পাঁচ ম্যাচে বাংলাদেশের একমাত্র জয়টি আসে ৯ নভেম্বর ২০২৪। সেদিন নাজমুল হোসেন শান্তর ৭৬ ও জাকের আলীর অপরাজিত ৩৭ রানে ৭ উইকেটে ২৫২ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে আফগানিস্তান থামে ১৮৪ রানে।

এরপর দুই দলের চারটি ওয়ানডেতেই জিতেছে আফগানিস্তান। অর্থাৎ বাংলাদেশের সর্বশেষ ওয়ানডে জয়টি প্রায় দুই বছর আগের।

সর্বশেষ সিরিজে আফগানিস্তানের দাপট

২০২৫ সালের অক্টোবরে আবুধাবিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশকে ৩–০ ব্যবধানে হারায় আফগানিস্তান। বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে সেটিই ছিল তাদের প্রথম সিরিজ হোয়াইটওয়াশ।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ১৯০ রানে অলআউট হয়েও ৮১ রানে জেতে আফগানিস্তান। বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে যায় ১০৯ রানে। রশিদ খান ১৭ রানে নেন ৫ উইকেট।

শেষ ম্যাচে ব্যবধান আরও বড় হয়। আফগানিস্তানের ৯ উইকেটে ২৯৩ রানের জবাবে বাংলাদেশ অলআউট হয় ৯৩ রানে। ৩৩ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন বিলাল সামি। তিন ম্যাচের সিরিজে রশিদের শিকার ছিল ১১ উইকেট।