শান্তর সেঞ্চুরি ও মুস্তাফিজের পাঁচ উইকেটে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

bangladesh series Win

শেষ দৃশ্যটা যেন ছিল ম্যাচের প্রতীকই। সাইফ হাসান-এর দুর্দান্ত ক্যাচে পর্দা নামল ম্যাচের। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ-এর বলে ডিন ফক্সক্রফটের উঁচু শট—লং অনে ছুটে গিয়ে হালকা ডাইভ দিয়ে দারুণভাবে তালুবন্দি করেন সাইফ। ৭২ বলে ৭৫ রান করা ফক্সক্রফটের বিদায়েই শেষ হয় নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল-এর ইনিংস।

২৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড গুটিয়ে যায় ৪৪.৫ ওভারে ২১০ রানে। ফলে ৫৫ রানের জয়ে ম্যাচের পাশাপাশি ২–১ ব্যবধানে সিরিজও নিশ্চিত করে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ছিল কিউইদেরই। বাংলাদেশের প্রথম ৩২ রানের মধ্যেই তুলে নেয় ৩টি উইকেট। তবে শুরু আর শেষের কিছু ঝলক ছাড়া ম্যাচের বাকি সময়টায় নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে। শেষদিকে দশম উইকেট জুটিতে মাত্র ৩১ বলে ৫০ রান তুললেও তাতে হারের ব্যবধানই শুধু কমেছে।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। ৬১ রানে তৃতীয় উইকেট হারানোর পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন নিক কেলি। বাঁহাতি এই ওপেনার ৫৯ রান করে ফেরার পর আর কেউ ইনিংস সামলাতে পারেননি। ফক্সক্রফটের ৭৫ রানের ইনিংস ব্যবধান কমালেও জয় এনে দিতে পারেনি।

বাংলাদেশের হয়ে কিউইদের চাপে ফেলার প্রধান কারিগর ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। সিরিজে প্রথমবার খেলতে নেমেই ৪৩ রান দিয়ে তুলে নেন ৫টি উইকেট। এছাড়া নাহিদ রানা ও মিরাজ নেন দুটি করে উইকেট।

এর আগে ব্যাট হাতে জয়ের ভিত গড়ে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। শান্তর দৃষ্টিনন্দন শতক আর লিটনের পরিণত ইনিংসে ভর করে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ইনিংস: ৫০ ওভারে ২৬৫/৮ (তানজিদ ১০৫, লিটন ৭৬, তাওহিদ ৩৩, মেহেদী হাসান ২২; ও’রুর্ক ৩/৩২, লেনক্স ২/৫০, লিস্টার ২/৬২)।
নিউজিল্যান্ড ইনিংস: ৪৪.৫ ওভারে ২১০ (ফক্সক্রফট ৭৫, কেলি ৫৯, আব্বাস ২৫; মুস্তাফিজ ৫/৪৩, মিরাজ ২/৩৬, নাহিদ ২/৩৭)।