প্রথমে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া। তবে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে শেষ পর্যন্ত চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে এশিয়ার প্রতিনিধিরা।
মেক্সিকোর গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে দক্ষিণ কোরিয়া। প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষের গোলমুখে আটটি শট নেয় তারা। অধিনায়ক সন হিউং-মিন একাই পাঁচবার গোলের চেষ্টা করলেও লক্ষ্যে রাখতে পারেননি কোনো শট।
বিরতির পর ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে প্রথম সুযোগেই এগিয়ে যায় চেক প্রজাতন্ত্র। অধিনায়ক লাদিস্লাভ ক্রেইচির হেড থেকে আসে ইউরোপীয় দলটির গোল। সেটিই ছিল ম্যাচে তাদের প্রথম অন-টার্গেট শট।
তবে পিছিয়ে পড়ার মাত্র আট মিনিট পরই ম্যাচে সমতা ফেরায় দক্ষিণ কোরিয়া। ফেনুর্ডের মিডফিল্ডার হোয়াং ইন-বম গোল করে স্কোরলাইন ১-১ করেন।
৭৮তম মিনিটে তমাশ সুচেকের গোলে আবারও এগিয়ে যাওয়ার আশা দেখেছিল চেক প্রজাতন্ত্র। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইড ধরা পড়ায় গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
এর দুই মিনিট পরই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন ওহ হিউয়ান-গিউ। হোয়াং ইন-বমের বাড়ানো বল থেকে গোল করে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন দক্ষিণ কোরিয়াকে। বেসিকতাসের এই ফরোয়ার্ডের গোলে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে উপস্থিত কোরিয়ান সমর্থকরা।
ম্যাচের ৮২তম মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল চেক প্রজাতন্ত্র। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক কিম সুং-গিউ অসাধারণ এক সেভ করে দলকে রক্ষা করেন।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি দক্ষিণ কোরিয়ার অষ্টম জয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২-১ ব্যবধানে পাওয়া তাদের চারটি জয়ের প্রতিটিতেই প্রথমে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল কোরিয়ানরা।
গ্রুপ পর্বে নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে আগামী ১৮ জুন মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে দক্ষিণ কোরিয়া। একই দিনে আটলান্টায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামবে চেক প্রজাতন্ত্র।
