দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত তিন কোম্পানির সর্বশেষ ঋণমান বা ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো যমুনা ব্যাংক পিএলসি, নিটল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং গোল্ডেন হারভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
রোববার ডিএসইর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের এ তথ্য জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর নিরীক্ষিত ও অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, আর্থিক সক্ষমতা এবং অন্যান্য গুণগত দিক পর্যালোচনা করে পৃথক রেটিং এজেন্সিগুলো এ ঋণমান নির্ধারণ করেছে।
স্থিতিশীল অবস্থানে যমুনা ব্যাংক
বেসরকারি খাতের যমুনা ব্যাংক পিএলসি দীর্ঘ মেয়াদে ‘এএ১’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’ রেটিং পেয়েছে। ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (ক্র্যাব) মূল্যায়নে ব্যাংকটির সার্বিক অবস্থানকে শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
ব্যাংকটির আউটলুক নির্ধারণ করা হয়েছে ‘স্থিতিশীল’। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে এ রেটিং দেওয়া হয়েছে।
সর্বোচ্চ রেটিং পেল নিটল ইনস্যুরেন্স
নিটল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড গ্রাহকের দাবি পরিশোধের সক্ষমতার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সর্বোচ্চ রেটিং অর্জন করেছে। আরগুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেডের মূল্যায়নে কোম্পানিটি দীর্ঘ মেয়াদে ‘এএএ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’ রেটিং পেয়েছে।
এই রেটিং কোম্পানিটির শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি ও দাবি পরিশোধের উচ্চ সক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়। নিটল ইনস্যুরেন্সের আউটলুকও ‘স্থিতিশীল’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করা হয়।
গোল্ডেন হারভেস্টের আউটলুক পরিবর্তনশীল
গোল্ডেন হারভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড দীর্ঘ মেয়াদে ‘বিবি’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৫’ রেটিং পেয়েছে। ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড কোম্পানিটির এ ঋণমান নির্ধারণ করেছে।
কোম্পানিটির আউটলুক ‘ডেভেলপিং’ বা পরিবর্তনশীল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনা করে এ রেটিং দেওয়া হয়।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমে কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা, ঝুঁকি এবং ভবিষ্যৎ অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
