হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলার অভিযোগ, বিচার না হওয়া পর্যন্ত অবস্থানের ঘোষণা সারজিস আলমের

sarjis-alam-habiganj-ncp-attack

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত হবিগঞ্জে অবস্থান করারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সারজিস আলম অভিযোগ করেন, হামলায় এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পথেও বাধা দেওয়া হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, হামলায় কয়েকজনের হাত ভেঙে গেছে, কারও মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। এছাড়া ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি। সারজিস আলমের ভাষ্য, কয়েকজন আহত নেতাকর্মীর চোখ ও মুখে লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।

সারজিস আরও অভিযোগ করেন, আহতদের নিয়ে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে যাওয়ার সময় হাসপাতালের সামনেও তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। তার দাবি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হাসপাতালে প্রবেশে বাধা দেন এবং লাঠিসোঁটা, রড ও ইট দিয়ে হামলা চালান। তিনি নিজেও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।

পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, হামলার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও কার্যকরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেননি।

তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং দলটির নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে এ ঘটনার জবাব দাবি করেন। একই সঙ্গে অভিযোগ করেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

সারজিস আলম বলেন, “এ ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে থাকব। প্রয়োজন হলে এখান থেকেই আমাদের লাশ যাবে, কিন্তু হামলার বিচার হতে হবে।”

তবে এনসিপির এসব অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিএনপি, ছাত্রদল বা যুবদলের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।