যুক্তরাজ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেলফ অ্যাসেসমেন্ট ট্যাক্স রিটার্ন জমা না দিলে ধাপে ধাপে জরিমানা বাড়তে পারে। প্রাথমিক জরিমানা ১০০ পাউন্ড। এরপর তিন মাসের বেশি দেরি হলে দৈনিক জরিমানা যোগ হয়ে এই অঙ্ক ১ হাজার পাউন্ডে পৌঁছাতে পারে। আরও দেরি হলে জরিমানা বাড়বে।
যুক্তরাজ্যের রাজস্ব কর্তৃপক্ষ এইচএমআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ করবর্ষের কাগজে পূরণ করা রিটার্ন জমা দেওয়ার সাধারণ সময়সীমা ৩১ অক্টোবর ২০২৬। ওই দিনের মধ্যে রিটার্ন এইচএমআরসির কাছে পৌঁছাতে হবে।
অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার সাধারণ শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি ২০২৭। একই তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট করবর্ষের বকেয়া করও পরিশোধ করতে হবে। সময়সীমাগুলো যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় অনুযায়ী প্রযোজ্য।
কীভাবে জরিমানা ১ হাজার পাউন্ড হয়
রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক, এমন করদাতা সময়সীমা অতিক্রম করলে প্রথমে ১০০ পাউন্ড জরিমানার মুখে পড়েন। তিন মাস পরও রিটার্ন জমা না দিলে প্রতিদিন ১০ পাউন্ড করে সর্বোচ্চ ৯০০ পাউন্ড অতিরিক্ত জরিমানা হতে পারে। দুই অংশ মিলিয়েই অঙ্কটি দাঁড়ায় ১ হাজার পাউন্ড।
| রিটার্ন জমায় বিলম্ব | জরিমানার বিধান |
|---|---|
| নির্ধারিত সময় পার হলে | প্রাথমিকভাবে ১০০ পাউন্ড |
| তিন মাস পর | দৈনিক ১০ পাউন্ড, সর্বোচ্চ অতিরিক্ত ৯০০ পাউন্ড |
| ছয় মাস পর | আরও ৩০০ পাউন্ড অথবা প্রদেয় করের ৫ শতাংশ—যেটি বেশি |
| বারো মাস পর | আরও ৩০০ পাউন্ড অথবা প্রদেয় করের ৫ শতাংশ—যেটি বেশি |
অর্থাৎ সময়সীমা পেরোলেই একবারে ১ হাজার পাউন্ড জরিমানা হয় না; এটি সর্বোচ্চ সীমাও নয়। রিটার্ন দাখিলে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে জরিমানার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। যুক্তিসংগত কারণ থাকলে জরিমানার বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রয়েছে।
কাগজের রিটার্নের সময় পেরোলে কী করবেন
কাগজে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা মিস করলে, অনলাইনে দাখিলের যোগ্য করদাতারা ৩১ জানুয়ারির মধ্যে অনলাইনে রিটার্ন দিয়ে বিলম্বিত দাখিলের জরিমানা এড়াতে পারেন। তবে এইচএমআরসি ব্যক্তিগতভাবে আলাদা সময়সীমা জানিয়ে থাকলে সেই নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। বিস্তারিত পাওয়া যাবে সরকারি সেলফ অ্যাসেসমেন্ট নির্দেশনায়।
