দাখিল পরীক্ষা ২০২৬ অগ্রিম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সারাদেশের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে ১৬ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ জেলার কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবেন। বিশেষ করে কেন্দ্রের শৃঙ্খলা, অবকাঠামোগত অবস্থা এবং সিসি ক্যামেরা সংক্রান্ত বিষয়গুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।
দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিঞা মো. নুরুল হক। চাঁদপুর জেলার জন্য রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ছালেহ আহমাদ এবং সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার জন্য পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া নোয়াখালী জেলার জন্য মাদ্রাসা পরিদর্শক অধ্যাপক মো. আবদুল মান্নান; বরিশাল, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলার জন্য প্রকাশনা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এফ এম শাকিরুল্লাহ দায়িত্বে রয়েছেন।
নওগাঁ ও বগুড়া জেলার জন্য উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. মহাতাব হোসেন; ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার জন্য উপরেজিস্ট্রার মো. আবদুর রশিদ; সাতক্ষীরা, যশোর ও নড়াইল জেলার জন্য উপরেজিস্ট্রার মো. জিয়াউর রহমান দায়িত্ব পালন করবেন।
অন্যদিকে কুমিল্লা জেলার জন্য কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ এবং নেত্রকোনা জেলার জন্য উপ-মাদ্রাসা পরিদর্শক মো. আকরাম হোসেন দায়িত্ব পেয়েছেন।
রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার জন্য শরীফ মুহাম্মদ ইউনুছ; রংপুর জেলার জন্য মো. মোশারফ হোসেন; শেরপুর জেলার জন্য মুহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন এবং গাজীপুর জেলার জন্য মো. জাহিদুল হক ছিদ্দিকীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার জন্য মো. মামুন-অর-রশিদ এবং বান্দরবান জেলার জন্য তানজারুল ইসলাম মিশু দায়িত্ব পালন করবেন।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করবেন এবং কেন্দ্রের অসংগতি ও সিসি ক্যামেরা সংক্রান্ত তথ্য লিপিবদ্ধ করবেন। পরে এসব তথ্যসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।
এছাড়া বিধি অনুযায়ী কর্মকর্তারা টিএ/ডিএ সুবিধা পাবেন। তবে বোর্ড থেকে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হলে ভাতা প্রযোজ্য হবে না। পরিদর্শন না করলে কোনো বিল গ্রহণ করা হবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।
