রোববার বজ্রপাতে দেশের ৭ জেলায় ১৪ জনের মৃত্যু

Ajker weather

রোববার দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে দুজন করে এবং পঞ্চগড়, বগুড়া ও নাটোরে একজন করে রয়েছেন।

গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নে বিকেলে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ কালো মেঘে আকাশ ঢেকে গিয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তাদের ওপর বজ্রপাত হয়। ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান। একই ঘটনায় আহত হন আরও একজন এবং একটি গরুও মারা যায়।

এছাড়া সাঘাটা উপজেলায় পৃথক ঘটনায় মানিক মিয়া ও নামবার আলী নামে দুজন বজ্রপাতে প্রাণ হারান।

ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে গৃহবধূ লাবণী আক্তার ও ইলিয়াস আলীর মৃত্যু হয়েছে। তারা পৃথক স্থানে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে নিহত হন।

Sirajganj জেলার তাড়াশে কৃষিশ্রমিক আব্দুল হামিদ এবং রায়গঞ্জে হাসান শেখ নামে এক যুবক বজ্রপাতে মারা গেছেন। তারা ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

জামালপুর জেলার মেলান্দহে গৃহবধূ মর্জিনা আক্তার বজ্রপাতে নিহত হন। একই ঘটনায় আরেকজন আহত হন। এছাড়া সদর উপজেলায় ফসলের মাঠে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে আহত হওয়ার পর হাসমত আলীর মৃত্যু হয়।

পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারীতে চা বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

বগুড়া জেলার গাবতলীতে বজ্রপাতে সুমন নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি বাড়ির পাশের জমি থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে পড়েন।

নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলায় বোরো ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সম্রাট নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রোববার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়, দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সময় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

এদিকে আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, গাছের নিচে বা পানির কাছে অবস্থান না করে দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া উচিত।