লা লিগার নতুন মৌসুমের শুরুতেই নাটকীয় জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এস্পানিওলের মাঠ আরসিডিই স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের ২–১ গোলে হারিয়েছে হোসে মরিনহোর দল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে বদলি হিসেবে নামা কার্লোস এসপি গোল করে রিয়ালকে পূর্ণ তিন পয়েন্ট এনে দেন।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে রিয়াল। নবম মিনিটেই আরদা গুলারের সেট-পিস থেকে পাওয়া দুর্দান্ত ক্রসে হেড করে রিয়ালকে এগিয়ে দেন জুড বেলিংহাম। গোলরক্ষক মার্কো দিমিত্রোভিচকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান ইংলিশ মিডফিল্ডার।
তবে এগিয়ে থেকেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেনি সফরকারীরা। ৩০ মিনিটে জাভি হার্নান্দেজের পাস থেকে পাওয়া বলে আলেক্স কালাত্রাভা গোল করে এস্পানিওলকে সমতায় ফেরান। এরপর কিলিয়ান এমবাপ্পে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও রিয়ালকে এগিয়ে দিতে পারেননি।
আরো পড়ুনঃ রিয়াল মাদ্রিদের খেলা কবে?
দ্বিতীয়ার্ধে জয়ের জন্য মরিনহো একের পর এক পরিবর্তন আনেন। ৫১ মিনিটে গুলারের ক্রস থেকে বেলিংহামের হেড গোলের খুব কাছে গেলেও দিমিত্রোভিচ ও ক্রসবার রিয়ালকে দ্বিতীয় গোল থেকে বঞ্চিত করে। ৭৮ মিনিটে ফেদেরিকো ভালভার্দের শটও পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, তখন মরিনহোর বদলি কৌশলই পার্থক্য গড়ে দেয়। ৮০ মিনিটে মাঠে নামেন তরুণ ফরোয়ার্ড কার্লোস এসপি। ম্যাচের ৯০ মিনিটে এমবাপ্পে প্রতিপক্ষের বক্সে ঢোকার পর রক্ষণভাগের চাপে বল হারান। সেই আলগা বল দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দিমিত্রোভিচকে কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান এসপি। তাতেই ২–১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় রিয়ালের।
ম্যাচ শেষে মরিনহো বলেন, এটি ছিল ‘আত্মা এবং বেঞ্চের জয়’। তাঁর মতে, রিয়াল জয় পাওয়ার যোগ্য ছিল, যদিও এস্পানিওলও নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে হার প্রাপ্য ছিল না।
এই জয়ের মাধ্যমে ২০২৬–২৭ লা লিগা মৌসুমে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে শুরু করল রিয়াল মাদ্রিদ। একই সঙ্গে মরিনহোর প্রত্যাবর্তনও হলো নাটকীয় এক জয়ের মাধ্যমে। নতুন মৌসুমে দলের ছয় নতুন খেলোয়াড়েরও আনুষ্ঠানিক অভিষেক হয়েছে, যাদের মধ্যে জয়ের নায়ক কার্লোস এসপি ছিলেন অন্যতম।
