এমবাপ্পে–ইয়ামালকে পেছনে ফেলে ব্যালন ডি’অর কেইনের

harry kane ballon dor

অবশেষে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিগত পুরস্কারের দেখা পেলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন। রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে ও বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে পেছনে ফেলে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছর পর ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জিতলেন কোনো ইংলিশ ফুটবলার।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে কেইনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদো নাজারিও। ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের জন্য এটি প্রথম ব্যালন ডি’অর জয়।

গত মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন কেইন। ২০২৫–২৬ মৌসুমে ৬৫ ম্যাচে করেছেন ৭৩ গোল। এর মধ্যে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ৬১টি এবং ইংল্যান্ডের জার্সিতে ১২টি গোল করেছেন তিনি। তার অসাধারণ গোল করার দক্ষতা বায়ার্নকে বুন্ডেসলিগা, জার্মান কাপ ও জার্মান সুপার কাপ জিততে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। প্রতিযোগিতাটিতে ১৪ গোল করে বায়ার্নকে সেমিফাইনালে পৌঁছাতে সাহায্য করেন কেইন। অন্যদিকে, ২০২৬ বিশ্বকাপে ছয় গোল করে ইংল্যান্ডের তৃতীয় স্থান অর্জনেও বড় অবদান রাখেন তিনি।

এবারের ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে কেইনের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ও স্পেনের লামিন ইয়ামাল। শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটিতে দ্বিতীয় হয়েছেন এমবাপ্পে এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ইয়ামাল। চতুর্থ হয়েছেন স্পেনের রদ্রি, আর পঞ্চম স্থানে আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি।

পুরস্কার গ্রহণের পর আবেগাপ্লুত কেইন জানান, এমন সম্মান অর্জন তার কাছে বিশেষ কিছু। এই সাফল্যের জন্য বায়ার্ন মিউনিখ ও ইংল্যান্ড দলের সতীর্থ, কোচ এবং নিজের পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

কেইনের আগে সর্বশেষ ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে ২০০১ সালে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন মাইকেল ওয়েন। ইংল্যান্ডের ইতিহাসে পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে এই পুরস্কার জিতলেন কেইন। একই অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা স্ট্রাইকারের পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।

এদিকে মেয়েদের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেনের আলেক্সিয়া পুতেয়াস। এটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় ব্যালন ডি’অর। আর পুরুষদের সেরা তরুণ ফুটবলারের পুরস্কার পেয়েছেন লামিন ইয়ামাল।